Hadith for the World
Topic

ফযীলত ও শিষ্ঠাচার

288 hadiths

288 hadiths

আবূ হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমরা এক অপরের প্রতি হিংসা করো না, কেনাবেচাতে জিনিসের মূল্য বাড়িয়ে এক অপরকে ধোঁকা দিয়ো না, একে অপরের প্রতি শত্রুতা রেখো না, একে অপর থেকে (ঘৃণাভরে) মুখ ফিরায়ো না এবং একে অপরের কেনাবেচার উপর কেনাবেচা করো না। আর আল্লাহর বান্দাগণ! তোমরা পরস্পর ভাই হয়ে যাও। মুসলিম মুসলিমের ভাই। সে তার প্রতি যুলুম করবে না, তাকে লাঞ্ছিত করবে না, তাকে মিথ্যারোপ করবে না এবং তাকে তুচ্ছ ভাববে না। আর তাকওয়া হচ্ছে এখানে। তিনি নিজ বুকের দিকে ইঙ্গিত করে এ কথা তিনবার বললেন। কোনো মুসলিম ভাইকে তুচ্ছ ভাবা একটি মানুষের মন্দ হওয়ার জন্য যথেষ্ট। প্রত্যেক মুসলিমের রক্ত, মাল এবং তার মর্যাদা অপর মুসলিমের ওপর হারাম।”ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
আবূ হুরাইরা রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললেন: আপনি আমাকে উপদেশ দিন। তিনি বললেন: “তুমি রাগ করো না।" লোকটি কয়েকবার তা বলতে থাকলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রত্যেক বারেই বললেন: “রাগ করো না।”এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।
‘উমার ইবনুল খত্তাব রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন: “যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি যথাযোগ্য তাওয়াক্কুল (ভরসা) রাখতে, তবে তিনি তোমাদেরকে রিজিক দান করতেন, যেমন পাখিকে তিনি রিযিক দান করে থাকেন। তারা সকালে ক্ষুধার্ত হয়ে (বাসা থেকে) বের হয় এবং সন্ধ্যায় উদর পূর্ণ করে (বাসায়) ফিরে।”এটি তিরমিযী, ইবনে মাজাহ ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।
আবূ হুরাইরা রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমের কোনো পার্থিব দুর্ভোগ দূরীভূত করবে, আল্লাহ তার থেকে কিয়ামতের দিনের দুর্ভোগসমূহের মধ্যে কোনো একটি দুর্ভোগ দূর করবেন। আর যে ব্যক্তি কোনো সংকটে পতিত ব্যক্তির প্রতি সহজ করবে, আল্লাহ দুনিয়া ও আখেরাতে তার প্রতি সহজ করবেন। আর যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমের দোষ-ত্রুটি গোপন রাখবে, আল্লাহ তা‘আলা দুনিয়া ও আখেরাতে তার দোষ-ত্রুটি গোপন রাখবেন। আর যতক্ষণ পর্যন্ত বান্দা তার মুসলিম ভাইয়ের সহযোগিতা করতে থাকে, আল্লাহও সে বান্দার সাহায্য করতে থাকেন। যে ব্যক্তি এমন পথে চলে- যাতে সে (দ্বীনের) বিদ্যা অর্জন করে, তার জন্য আল্লাহ জান্নাতের পথ সহজ করে দেন। আর যখনই কোনো সম্প্রদায় আল্লাহর কোনো এক ঘরে একত্রিত হয়ে আল্লাহর কিতাব পাঠ করে ও নিজেদের মধ্যে তা অধ্যয়ন করে, তখনই (আল্লাহর পক্ষ থেকে) তাদের ওপর প্রশান্তি অবতীর্ণ হয়, তাদেরকে (আল্লাহর) রহমত আচ্ছাদিত করে নেয়, ফিরিশতারা তাদেরকে ঘিরে নেয় এবং আল্লাহ তাঁর নিকটবর্তী (ফিরিশতা)দের মধ্যে তাদের কথা আলোচনা করেন। আর যাকে তার আমল পশ্চাদ্গামী করেছে (অর্থাৎ নেকীর কাজ করে নি) তার বংশ তাকে অগ্রগামী করতে পারবে না।”ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মরফূ‘ হিসেবে বর্ণিত, “আল্লাহর শপথ! আমি প্রত্যহ আল্লাহর কাছে সত্তর বারেরও বেশি ইস্তিগফার [ক্ষমাপ্রার্থনা] ও তাওবা করে থাকি।”এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবী আগার (আল মুযানী) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূালুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “হে লোক সকল! তোমরা আল্লাহর সমীপে তাওবা কর ও তাঁর নিকট ক্ষমা চাও! কেননা, আমি প্রতিদিন এক শো বার তাওবা করি”।ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মহান রব থেকে বর্ণনা করে বলেছেন: “জনৈক বান্দা পাপ করে বলল, হে আমার রব! আমার পাপ মার্জনা করে দাও। তারপর আল্লাহ তা‘আলা বললেন: আমার বান্দা পাপ করেছে এবং সে জানে যে, তার একজন রব আছে, যিনি পাপ মার্জনা করেন এবং পাপের কারণে ধরেন। এ কথা বলার পর সে আবার পাপ করে এবং বলে, হে আমার রব ! আমার পাপ ক্ষমা করে দাও। তারপর আল্লাহ তা’আলা বলেন, আমার এক বান্দা পাপ করেছে এবং সে জানে যে, তার একজন রব আছে যিনি পাপ মার্জনা করেন এবং পাপের কারণে তাকে ধরবেন। তারপর সে পুনরায় পাপ করে বলে, হে আমার রব! আমার পাপ মাফ করে দাও। এ কথা শুনে আল্লাহ তা‘আলা পুনরায় বলেন, আমার বান্দা পাপ করেছে এবং সে জানে যে, তার একজন রব আছে, যিনি বান্দার পাপ মার্জনা করেন এবং পাপের কারণে পাকড়াও করেন। তারপর আল্লাহ তা’আলা বলেন, হে বান্দা! এখন যা ইচ্ছা তুমি আমল করো। আমি তোমার গুনাহ মাফ করে দিয়েছি।”সহীহ বুখারী ও মুসলিম
আবূ উমামাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন দস্তরখানা গুটাতেন, তখন এই দো‘আ পড়তেন: আল্লাহর জন্য অগণিত পবিত্র ও বরকতপূর্ণ প্রশংসা। এ প্রশংসাই যথেষ্ট নয় এবং এটাই শেষ নয়। হে আমাদের রব! তার থেকে আমরা অমুখাপেক্ষী নয়।এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “মুমিন একই গর্তে দু’বার দংশিত হয় না।”মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।
জারির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যাকে কোমলতা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে , তাকে সব ধরনের মঙ্গল থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।”ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলনে (একদা) আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে পথছিলাম। সে সময় তাঁর উপর মোটা পেড়ে একখানি নাজরানী চাদর ছিল। অতঃপর পথে এক বেদুঈনের সঙ্গে দেখা হলো। সে তাঁর চাদর ধরে খুব জোরে টান দিল। আমি নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাঁধের এক পাশে দেখলাম যে, খুব জোরে টানার কারণে চাদরের পাড়ের দাগ পড়ে গেছে। অতঃপর সে বলল, ‘হে মুহাম্মাদ! তোমার নিকট আল্লাহর যে মাল আছে তা থেকে আমাকে দিতে আদেশ কর।’ রাসূল তার দিকে তাকিয়ে হাসলেন। অতঃপর তাকে দিতে নির্দেশ দিলেন।মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।
আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যদি বানী আদমের স্বর্ণ ভরা দুটো উপত্যকা থাকে, তথাপি সে তার জন্য তৃতীয় উপত্যকা হওয়ার কামনা করবে। তার পেট মাটি ব্যতীত অন্য কিছুতেই ভরবে না। তবে যে ব্যক্তি তওবা করবে, আল্লাহ্ তার তওবা কবূল করবেন”।সহীহ বুখারী ও মুসলিম
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মরফূ হিসেবে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনো কোনো খাবারের দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করেন নি। ভালো লাগলে তিনি খেতেন এবং খারাপ লাগলে বর্জন করতেন।মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।
ইবনু ’আব্বাস রদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিপদের সময় বলতেন, «لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ الْعَظِيمُ الْحَلِيمُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَرَبُّ الْأَرْضِ وَرَبُّ الْعَرْشِ الْكَرِيمِ» “আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, যিনি মহান ও পরম সহিষ্ণু। আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি মহা ‘আরশের রব। আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি আসমানের রব, জমিনের রব এবং মর্যাদাবান ‘আরশের রব।”সহীহ বুখারী ও মুসলিম
আবু সাঈদ আল-খুদরী রদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "যখন তোমাদের কেউ হাই তোলে, তখন সে যেন তার হাত দিয়ে মুখ ঢেকে রাখে, অন্যথায় শয়তান প্রবেশ করবে।"ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমরা কি জান, গীবত কী?” তাঁরা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন:“ (গীবত হল) তোমার ভাইয়ের সম্পর্কে এমন কিছু আলোচনা করা, যা সে অপছন্দ করে।” প্রশ্ন করা হল, আমি যা বলছি তা যদি আমার ভাই এর মধ্যে থাকে? তিনি বললেন: “তুমি যা বলছ তা যদি তার মধ্যে থাকে তাহলেই তুমি তার গীবত করলে। আর যদি তা না থাকে তা হলে তো তুমি তাকে অপবাদ দিলে।”ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে মারফু হিসেবে বর্ণিত, “যুলুম কিয়ামতের দিন অনেকগুলো অন্ধকার হবে।” জাবের রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে মারফু হিসেবে বর্ণিত, “তোমরা অত্যাচার করা থেকে বেঁচে থাকো। কেননা অত্যাচার কিয়ামতের দিন অন্ধকারস্বরূপ। আর তোমরা কৃপণতা থেকে দূরে থাকো। কেননা কৃপণতা তোমাদের পূর্বের লোকেদের ধ্বংস করেছে।”এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন। - মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।
খাওলা আনসারিয়্যাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা বলেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন: “কিছু সংখ্যক মানুষ আল্লাহ তা‘আলার সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করে থাকে। কিয়ামত দিবসে তাদের জন্য জাহান্নামের আগুন নির্ধারিত।”এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।
আবূ হুরায়রা রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “তোমরা(ভিত্তিহীন) ধারণা করা থেকে বিরত থাকো। কারণ ধারণা করা সবোর্চ্চ মিথ্যা কথা। “তোমরা পরস্পরের বিরুদ্ধে তথ্য তালাশ করো না, গোয়েন্দাগিরি করো না, হিংসা-বিদ্বেষ পোষণ করো না, পৃষ্ঠপ্রদর্শন করো না এবং পরষ্পরে ঘৃণা পোষণ করো না। বরং তোমরা আল্লাহর বান্দা হিসেবে পরষ্পর ভাই ভাই হয়ে যাও।”সহীহ বুখারী ও মুসলিম
আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মুসলিমকে গালি দেওয়া ফাসেকী এবং তার সাথে লড়াই করা কুফুরী।”সহীহ বুখারী ও মুসলিম
আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মারফু‘ হাদীসে বর্ণিত, “যখন তোমরা তিনজন হবে, তখন একজনকে বাদ দিয়ে বাকী দু’জনে কানাঘুষা করবে না; যতক্ষণ না অন্যান্য মানুষের সাথে মিশে যাচ্ছ। কারণ, এটি অপর ব্যক্তিকে চিন্তিত করে তুলবে।”মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।
আবূ হুরায়রা রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমরা তোমাদের তুলনায় নিম্নস্তরের লোকদের প্রতি তাকাও। তবে তোমাদের তুলনায় উপরের স্তরের লোকদের প্রতি তাকাবে না। কেননা, তোমাদের ওপর আল্লাহর নিয়ামতকে তুচ্ছ না ভাবার এটাই উত্তম পন্থা।”সহীহ বুখারী ও মুসলিম
আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “প্রত্যেক আদম সন্তানই গুনাহগার। আর গুনাহগারদের মধ্যে তাওবাকারীগণ উত্তম।”এটি ইবন মাজাহ বর্ণনা করেছেন। - এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন। - এটি দারিমী বর্ণনা করেছেন
আবূ যার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছেন: “সাধারণ কোনো ভালো কাজকে তুচ্ছ করে দেখো না। তোমার ভাইয়ের সাথে হাসিমুখে সাক্ষাতের মতো (দেখতে সাধারণ কোনো) বিষয়ই হোক না কেনো।”ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন