Hadith for the World

All hadiths

The complete card collection, filter by chapter

655 hadiths

আবূ আইয়ূব আল-আনসারী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “কোন ব্যক্তির জন্য হালাল নয় যে সে তার ভাই এর সাথে তিন দিনের বেশি এমনভাবে সম্পর্ক ছিন্ন রাখবে যে, দু’জনে সাক্ষাৎ হলেও একজন এদিকে আর অপর জন সে দিকে মুখ ফিরিয়ে নেবে। তাদের মধ্যে যে সর্বপ্রথম সালামের সূচনা করবে, সেই উত্তম ব্যক্তি।”সহীহ বুখারী ও মুসলিম
জুবায়ের ইবনু মুত‘য়িম রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন: “আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না।”সহীহ বুখারী ও মুসলিম
ইবনু ‘উমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "যে ব্যক্তি অহংকারবশত তার পোশাক টেনে-হেঁচড়ে চলে আল্লাহ তার দিকে তাকাবেন না।"সহীহ বুখারী ও মুসলিম
আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি চায় যে, তার রিযক প্রশস্ত হোক এবং আয়ু বর্ধিত হোক, সে যেন তার আত্মীয়তার বন্ধন অক্ষুণ্ণ রাখে।”সহীহ বুখারী ও মুসলিম
عن عبد الله بن عمرو بن العاص رضي الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «من الكبائر شَتْمُ الرجل والديه» قيل: وهل يسبّ الرجل والديه؟ قال: «نعم، يسبّ أبا الرجل فيسبّ أباه، ويسبّ أمّه، فيسبّ أمّه».متفق عليه
আবূ সিরমাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে লোক অন্য কারো ক্ষতিসাধন করে, আল্লাহ তা‘আলা তা দিয়েই তার ক্ষতিসাধন করেন। যে লোক অন্যকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তা’আলা তাকে কষ্টের মধ্যে ফেলেন।”এটি আবূ দাউদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।
আব্দুর রহমান বিন আবূ লাইলা বলেন, কা’ব বিন ‘উজরাহ আমার সাথে সাক্ষাত করে বলল, আমি কি তোমাকে হাদিয়া দেবো না? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের নিকট আসলে আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কীভাবে আপনাকে সালাম দেব তা জানলাম। তবে কীভাবে আপনার উপর সালাত (দরূদ) পেশ করবো? তিনি বললেন, তোমরা বলো:اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ، اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ». অর্থ“হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদের উপর এবং মুহাম্মাদের পরিবার-পরিজনের উপর রহমত বর্ষন করো। যেমন তুমি রহমত বর্ষন করেছো ইবরাহীমের উপর। নিশ্চয় তুমি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত। হে আল্লাহ! তুমি বরকত নাযিল করো মুহাম্মাদের উপর এবং মুহাম্মাদের পরিবার পরিজনের উপর যেমন বরকত নাযিল করেছো ইবরাহীমের উপর। নিশ্চয় তুমি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত।”সহীহ বুখারী ও মুসলিম
উবাদাহ ইবন সামেত রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি ফাতিহা পড়ল না তার সালাত নেই।”সহীহ বুখারী ও মুসলিম
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস‘ঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যারা (মৃত ব্যক্তির জন্য শোক প্রকাশে) গালে চপেটাঘাত করে, জামার বুক ছিড়ে এবং জাহিলিয়তের প্রথায় চিৎকার করে , তারা আমাদের দলভুক্ত নয়”।সহীহ বুখারী ও মুসলিম
আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে মারফু‘ হিসেবে বর্ণিত: “আমি কখনো কোন ইমামের পিছনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চেয়ে অধিক সংক্ষিপ্ত ও পরিপূর্ণ সালাত আদায় করিনি”।মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “বান্দা সিজদা অবস্থায় স্বীয় রবের সর্বাধিক নিকটবর্তী হয়। সুতরাং (সিজদায়) তোমরা অধিক দু‘আ করো।”ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
আবূ উমামাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ কথা বলতে শুনেছি যে, “তোমরা কুরআন মাজীদ পাঠ কর। কেননা কিয়ামতের দিন কুরআন, তার পাঠকের জন্য সুপারিশকারী হিসাবে আগমন করবে।”এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।
আবূ হুরাইরাহ্ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু সূত্রে আল্লাহর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, যে ব্যক্তি মৃতের জন্য সালাত আদায় করা পর্যন্ত জানাযায় উপস্থিত থাকবে, তার জন্য এক কীরাত, আর যে ব্যক্তি মৃতের দাফন হয়ে যাওয়া পর্যন্ত উপস্থিত থাকবে তার জন্য দু’ কীরাত। জিজ্ঞেস করা হল দু’ কীরাত কী? তিনি বললেন, দু’টি বিশাল পর্বত সমতুল্য (সাওয়াব)। মুসলিমের বর্ণনায় রয়েছে: “এর ছোটটি হলো অহুদ পাহাড়ের সমান।”মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।
জুনদুব ইব্নু ‘আব্দুল্লাহ্ বাজালী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর দিন সালাত আদায় করেন, অতঃপর খুতবাহ দেন। অতঃপর যবেহ্ করেন এবং তিনি বলেন, সালাতের পূর্বে যে ব্যক্তি যবেহ্ করবে তাকে তার স্থলে আরেকটি যবহ্ করতে হবে এবং যে যবেহ্ করেনি, আল্লাহর নামে তার যবেহ্ করা উচিত।মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।
আবু জর গিফারী রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আল্লাহর নিকট সর্বাধিক প্রিয় কালাম সম্পর্কে তোমাকে জানাব না কি? আল্লাহর কাছে সর্বাধিক প্রিয় কথা হল : ‘সুবহানাল্লা-হি অবিহামদিহ’ [অর্থাৎ, আল্লাহর সপ্রশংস পবিত্রতা ঘোষণা করছি।]এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।
আদী বিন আমীরাহ আল-কিনদী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে মরফূ‘ হিসেবে বর্ণিত, আমরা তোমাদের মধ্যে যাকে কোনো কাজে নিয়োগ করি, সে আমাদের কাছে একটি সুই অথবা তার চেয়ে বেশি কিছু লুকালে, তা খিয়ানত হবে। কিয়ামতের দিন সে তা নিয়ে হাযির হবে।” এ কথা শুনে আনসারদের একজন কৃষ্ণকায় মানুষ উঠে দাঁড়ালো, যেন আমি তাকে এখন দেখছি। সে বলল, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আপনি যে কাজের দায়িত্ব আমার ওপর অর্পণ করেছিলেন তা আমার কাছ থেকে ফিরিয়ে নেন।’ তিনি বললেন, “তোমার কি হয়েছে?” সে বলল, ‘আমি আপনাকে এ রকম কথা বলতে শুনলাম।’ তিনি বললেন, “আমি এখনো বলছি যে, যাকে আমরা কোনো কাজে নিযুক্ত করি, সে যেন অল্প-বেশি যা কিছুই হোক আমার কাছে নিয়ে আসে। অতঃপর তা হতে যা দেওয়া হয়, তা গ্রহণ করবে এবং যা নিষেধ করা হয়, তা থেকে বিরত থাকবে।”এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।
জুনদুব ইবনু আব্দুল্লাহ আল-কাসরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করলো সে আল্লাহর যিম্মাদারিতে থাকলো। অতএব আল্লাহ যেন আপন যিম্মাদারীর কোন বিষয় সম্পর্কে তোমাদের বিপক্ষে বাদী না হন। কারণ তিনি যার বিপক্ষে আপন দায়িত্বের কোন ব্যাপারে বাদী হবেন, তাকে (নিশ্চিত) ধরতে পারবেনই। অতঃপর তিনি তাকে উপুড় করে জাহান্নামের আগুনে ফেলবেন।”ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
আবূ হুরাইরাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যে ব্যক্তি সকাল অথবা সন্ধ্যায় মসজিদে গমন করে, আল্লাহ তার জন্য আপ্যায়নস্থল জান্নাতে প্রস্তুত করেন। সে যতবার সকাল অথবা সন্ধ্যায় গমনাগমন করে।সহীহ বুখারী ও মুসলিম
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের উপর ঈমান রাখে সে যেন উত্তম কথা বলে, অথবা সে যেন চুপ থাকে। যে আল্লাহ ও শেষ দিনের উপর ঈমান রাখে, সে যেন তার প্রতিবেশীকে সম্মান করে । যে লোক আল্লাহ ও শেষ দিনের উপর ঈমান রাখে, সে যেন তার মেহমানকে সম্মান করে।”সহীহ বুখারী ও মুসলিম
জারীর ইবন আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি মানুষের প্রতি দয়া করে না, মহান আল্লাহও তার প্রতি দয়া করেন না।”সহীহ বুখারী ও মুসলিম
عن عمر بن الخطاب رضي الله عنه مرفوعًا: «مَنْ نَامَ عَنْ حِزْبِهِ مِنَ الليلِ، أو عَنْ شَيْءٍ مِنه، فَقَرَأَهُ ما بَيْنَ صَلَاةِ الفَجْرِ وَصَلَاةِ الظُّهْرِ، كُتِبَ لهُ كَأَنَّمَا قَرَأَهُ مِنَ الليلِ».رواه مسلم
ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “এমন দু’টি নিয়ামত আছে, যে দু’টোতে অধিকাংশ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। তা হচ্ছে: সুস্থতা আর অবসর”।এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে মারফু হিসেবে বর্ণিত, “সেই মহান সত্ত্বার কসম, যার হাতে আমার জীবন! যদি তোমরা পাপ না কর, তাহলে আল্লাহ তা‘আলা তোমাদেরকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে (তোমাদের পরিবর্তে) এমন এক জাতি আনয়ন করবেন, যারা পাপ করবে এবং আল্লাহ তা‘আলার কাছে ক্ষমা প্রার্থনাও করবে। আর আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করে দিবেন।”এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।
জাবের রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মরফূ‘ হিসেবে বর্ণিত, প্রতিটি বান্দাকে যার ওপর সে মারা যায় তার ওপর উঠানো হবে।এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।